Jocks from Mirakkel post # 7

জোকস: ডাক্তার
বাবা চেয়েছিল বড় য়ে হবো উকিল নয় তো ডাক্তার।
তাই রাস্তার মোড়ে, কিছু টাকা দিয়ে কিনলাম
পুরাতন চেম্বার।
এভাবেই ডিগ্রী ছাড়া আমি ডাক্তার।

আশে পাশে শুভঙ্কর দা নাই তো ?
তা সেদিন শুভঙ্কর বাবু আমার চেম্বারে এসে কইল,
- ডাক্তার সাহেব আমার চোখের সমস্যা।
আমি হাতের পাঁচটা আঙ্গুল দেখিয়ে বললাম, কয় আঙ্গুল ?
শুভঙ্কর: পাঁচ আঙ্গুল।
ডাক্তার: দেখি এই পত্রিকাটা পড়ো তো।
শুভঙ্কর: পড়তে পারতাছি না।
ডাক্তার: আরে দূর...। এইটা চোখের সমস্যা না। লেখাপড়ার অভাব।

আমি ছোট বেলায় বুঝতে পেরেছিলাম, বড় হয়ে আমি ডাক্তার হবো।
আমার হাতের লেখা যে কেউ বুঝতে পারতো না।

থাক বাজে কথা বলে আর সময় না নষ্ট করি। রোগী এসে পড়েছে।
- এই যে আসুন আসুন।
রোগী: ডাক্তার সাহেব আমার প্রস্রাবে প্রচন্ড জ্বালাপোরা।
ডাক্তার: বাড়ি চলে যান বাড়ি চলে যান, বাড়ি চলে যান। মেশিন নষ্ট হয়ে গেছে।
আরে ধুর আমি যে মেশিন দিয়ে পরীক্ষা করবো সেটা নষ্ট হয়ে গেছে।
রোগী: ডাক্তার সাহেব, আজ দুই তিন দিন হলো আমার প্রস্রাব হইতেছে না।
ডাক্তার: বয়স কতো ?
রোগী: ডাক্তার সাহেব আশি বছর।
ডাক্তার: অনেক তো করলেন। আর কতো ? আপনার যে অবস্থা দেখতেছি, খুব হলে আর তিন চার দিন বাঁচবেন।
রোগী: ডাক্তার সাহেব কি কন ? আশিটা বছর এই ভাবে পার করলাম। দুই তিন দিন এমনিতেই পার হইয়া যাইবো।
ঠিক আছে আপনি চলে যান। এই যে ভদ্রমহিলা আপনে আসেন।

ভদ্রমহিলা: ডাক্তার সাহেব, আগের মতো এবারও আমার দাঁতের প্রবলেম। এবারও কি আমার সব পরীক্ষা করবেন ?
ডাক্তার: আরে ধুর। দেখেন সবাই কেমন তাকায়ে আছে। এবার শুধু দাঁত পরীক্ষা করলেই চলবো। দেখি হা করেন। ঠিক আছে ঠিক আছে।
ভদ্রমহিলা: ডাক্তার সাহেব, সব ঠিক আছে ?
ডাক্তার: আরে না। দেখলাম। আমার লাইট ঠিক আছে কিনা। আপনে যান আপনে যান। এই যে ভদ্রমহিলা। আপনার সমস্যা কী ?

ভদ্রমহিলা: ডাক্তার সাহেব, আমার স্বামী আমাকে ভালসাসে না।
ডাক্তার: হায় হায়, এই মাইয়া কি সমস্যার কথা বলে ? নাকি লোভ দেখায় ? আচ্ছা, এই যে লিখে দিলাম ধরেন।
ভদ্রমহিলা: ডাক্তার সাহেব, একি ওষধ ? কখন খাবো ?
ডাক্তার: ওষধ না। বাসার ঠিকানা লিখে দিয়েছি। আপনার চিকিৎসা বাসায় হবে।

ভাবতাছেন আমার চেম্বারে কি সব ঘটনা ঘটে। আমার চেম্বারে আরো সব অদ্ভুত ঘটনা ঘটে।
এই তো সেদিন এক রোগী এসে বলল,
-ডাক্তার সাহেব ডাক্তার সাহেব। আমি মাছ খাই বলে লোকে আমাকে পাগল বলে।
ডাক্তার: আরে মাছ খাওয়া তো ভাল। মাছ খেলে বুদ্ধি বাড়ে।
রোগী: ডাক্তার সাহেব চলেন। আমার সাথে পুকুরে নাইমা পড়েন।

সেদিন আর এক লোক এসে আমাকে বলছে,
- ডাক্তার সাহেব, আমি ভুলে একটা মার্বেল গিলে ফেলেছি।
ডাক্তার: (টর্চ জ্বেলে) দেখি, হা করেন। দেখতে পারতাছিনা তো।
রোগী: ডাক্তার সাহবে অনেকক্ষণ আগে গিলে ফেলেছি। এই রাস্তা দিয়ে আর দেখতে পাবেন না।

আর একদিন এক রোগী এসে বলছে,
-ডাক্তার সাহেব, আমি নাকি আর পাঁচ ছয় মিনিট বাঁচবো। এখন আমি কি করবো ?
ডাক্তার: বাঁচবেন তো আর পাঁচ ছয় মিনিট। এর মধ্যে আর কি করবেন ? যান আমার জন্য একটা ডিম সেদ্ধ করে নিয়ে আসেন।

আরে ডাক্তারীর পাশাপাশি আমি তো রোগ নিয়ে রিতিমো গবেষণা শুরু করে দিয়েছি। এইযে একটা বলছি।
-আপনার বাবা মার যদি সন্তান না থাকে তাইলে আপনারও সন্তান হবার সম্ভাবনা খুবই কম।

আচ্ছা বলেন তো বগলে দেওয়া থার্মমিটার আর মুখে দেওয়া থার্মমিটারের মধ্যে পার্থক্য কোথায় ?
-টেস্ট এ।

Jocks from Mirakkel post # 6

মিরাক্কেলের জোকস

একটা ছেলের কখন আনন্দ হয় ?

-একটা মেয়ে যখন ছেলেটাকে বলে, আমি তোমাকে ভালবাসি।

আর অত্যাচার ?

-ওই মেয়েটা- যখন ছেলেটাকে বলে আমি তোমাকে খুব ভালবাসি।

-------------------

ল্যাদারু দা দোকানে গরু কিনতে গেছেন। দোকান্দার বলছে,

-দাদা, এই যে গুরটা দেখছেন, এর দাম ত্রিশ হাজার টাকা। দু বছরে একটা বাছুর দেয়। আর এই যে এই গরুটা দেখছেন, এর দাম দশ হাজার টাকা আর এ এটা দু বছরে পাঁচটা বাছুর দেয়।

ল্যাদারু দা: কেন ? এরকম কেন ?

কোকান্দার: আরে দাদা, ক্যারেক্টার বলেও তো একটা কথা আছে নাকি ?

============

ভাম একদিন লেট নাইপ পার্টি থেকে গাড়ি করে বাড়ি ফিরছে। পুলিশ গাড়ি আটকিয়েছে।

পুলিশ: দাদা, এই মেশিনটা ভেতরে নিঃশ্বাস নিয়ে দেখান।

ভাম: না দাদা পারবো না।

পুলিশ: কেন ?

ভাম: না দাদা। আমার শ্বাস কষ্ট আছে।

পুলিশ: ঠিক আছে তাহলে ব্লাড স্যাম্পল দিন।

ভাম: পারবো না।

পুশলশ: কেন ?

ভাম: আমার শরীরে হিমোগ্লোবিন কম আছে।

পুলিশ: ঠিক আছে তাহলে গাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় সোজা হয়ে হেঁটে দেখান।

ভাম: না দাদা পারবো না।

পুলিশ: কেন ?

ভাম: আজ একটু বেশি নেশা করে ফেলেছি।

================

ল্যাদারু দার বউকে কিডনাপাররা কিডন্যাপ করে নিয়ে গেছে।

কিছু দিন পার তারা বউয়ের আংটি পাঠিয়েছে। ল্যাদারু দা বলল,

-বিশ্বাস করি না। আরো প্রমাণ পাঠাও।

দুটো দুল পাঠিয়েছে।

-বিশ্বাস করি না। আরো প্রমাণ পাঠাও।

এরপর কিডনাপার রা একটা হীরার নেকলেস পাঠিয়েছে।

ল্যাদারু দা বলল, ঠিক আছে। আমারটা আমি পেয়ে গেছি।এখন তোদের টা তোরা বুঝে নে।

===========

একদিন ভাম এসে বলছে,

-বুঝলি ভাই ? আজকে একটা মেয়ের মানসম্মান হানী হবার হাত থেকে বাঁচিয়েছি।

- এটা তো খুব ভাল কথা। তা কী করে ?

ভাম: সেলফ কন্ট্রোল রে ভাই, সেলফ কন্ট্রোল।

==============

রাত্রী বেলা আমি একদিন গাঢ়ড় করে ফিরছি। রাস্তা দিয়ে একটা মেয়ে একা একা হাটছে। রাতে কোথায় যাবে ? ভাবলাম লিভট দিয়ে দিই। গাড়িটা রাস্তার সাইডে পার্ক করলাম।বললাম, ম্যাডাম, উঠে আসুন।

মেয়েটি বলল, তিন ধরে এই করছি। আজকে বাড়ি ফিরতেই হবে।


Jocks from Mirakkel post#4

নতুন কিছু বাংলা জোকস

টাকা ইনকাম করার সব চেয়ে সহজ বুদ্ধি কি ?
--কিছু টাকা দেন তারপর বলতেছি।
---------------
এক রুগী ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল,
-ডাক্তার সাহেব মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি অদৃশ্য হয়ে গেছি।
ডাক্তার: (ভয় পেয়ে) কে ? কে কথা বলে ?
-----
এক বাবা তাঁর ছেলেকে বলছেন,
- তুই সারাদিন টো টো করে ঘুরে বেড়াস। পড়াশোনা কখন করসি ?
ছেলে: আমি রাতের নিরিবিলিতে পড়াশোনা করি।
বাবা: মিথ্যা বলছিস। গতকাল রাতে আমি চুপিচুপি দেখার চেষ্টা করেছি। তুই পড়াশোনা করিস নি।
ছেলে: এই তো আব্বা। কেউ জেগে থাকলে আমার পড়া হয় না।
-------

Jocks from mirakkel || post#03

একজন নতুন জামাইয়ের বিয়ের স্মৃতিচারণ

অবশেষে বিয়ের কাজটা সাইরাই ফেললাম।
আশে পাশে শুভঙ্কর দা নাই তো ? শুভঙ্কর দারেও বিয়ার দাওয়াত দিছিলাম।
উনি আসেন নাই। গিফট দেওয়ার ভয়ে।
পুরাতন পাঞ্জাবি পড়েই বিয়া করতে গেছিলাম। নতুন পাঞ্জাবি কিনতে চাইছিলাম।বড় ভাই কইল নতুন পাঞ্জাবি কেনার কি দরকার ? আমারটা আছেই তো।
নতুন একটা মুকুট কিনতে চাইলাম। আব্বায় কইল, নতুন মুকুট কেনার কি দরকার ? আমারটা আছেই তো।
এরপর দাদুর কাছে আশীর্বাদ নিতে গেছিলাম। আগে যখন গোয়াল ভরা গরু আছিল, গোলা ভরা ধান আছিল, পুকুর ভরা মাছ আছিল আমার দাদুরও তেমনই বাড়ি ভরা বউ আছিল।
দাদু আমারে কইল, নতুন বউয়ের কি দরকার ? আছেই....তো।
দাদুর কাছ থাইকা আশীর্বাদ নিয়া বিয়া করতে গেলাম। বিয়া বাড়িতে ঢুকবো এমন সময় শালিকারা দৌড়াতে দৌড়াতে আসল।বাড়ির ভেতরে ঢুকলাম। শালিকারা গেলাসে গেলাসে শরবত নিয়া আসলো।
আমি একটা গ্লাসে চুমুক দিয়া দেখলাম, আল্লারে কি তিতার তিতা ! না খাইলে লোকে মাইন্ড করবো তাই পুরাটাই খাইয়া ফালাইলাম।
পরের গেলাসে চুমুক দিয়া দেখলাম, ওরে মা। ঝালের ঝাল। না খাইলে লোকে মাইন্ড করবো তাই পুরাটাই খাইয়া ফালাইলাম।
এরপরের গেলাসে চুমুক দিয়া দেখলাম, ওমা ! কি মিষ্টি ! এত বেশি খাইলে লোকে মাইন্ড করবো তাই পুরা গেলাসটাই রাইখা দিলাম।

এরপর বিয়ার পিঁড়িতে বসতেই কাজী কইল, বাবা কও কবুল।
আমি ভুল করে কইলাম, আবুল।
কাজী সাহেব তো আমার উপর খুব খ্যাপা।
আমি কইলাম, ঠিক আছে। প্রথম বার তো। এরপরের বারে ঠিক হইয়া যাইবো।
বিয়ার পরই তো বউ কান্না কাটি শুরু করলো। আমিও বউয়ের সাথে কান্নাকাটি শুরু করলাম। বউ একা আর কত কাঁদবো ? আমি একটু আগায়ে দিলাম।

শ্বশুর আব্বা আমারে একটা লুঙ্গি দিছিল। জিন্সের লুঙ্গি। সেইডাতে আবার চারটা পকেট আছে। আবার চেন সিস্টেম। আবার বেল্টও লাগানো যায়।

বিয়ার পর আমার শ্বাশুরি বউকে আমার হাতে তুলি দিয়ে কইল,
-বাবা আমার খুব আদরের মাইয়া। একটু দেইখা রাইখো।
আমি কইলাম, চিন্তা কইরেন না আম্মা। আপনের মাইয়া মানে তো আমারও মাইয়া।

শালিকা আমার হাতে একটা রুমাল দিয়া কইল, দুলাভাই আমারে কিন্তু ভুইলা যাইয়েন না।
আমি কইলাম, আমার বউরে আমি ভুলতে পারি কিন্তু তোমারে.....।
এই কথা শোনার পর বউ আমার উপরে খুব রাগ করলো। সারা রাস্তা কথা কয় নাই। বাসর ঘরে ঢুইকাই তো দরজা আটকায়ে দিলাম। বউ আমারে পায়ে হাত দিয়া সালাম করলো।
আমি ভাবলাম, আমারো তো একটা দায়িত্ব আছে। তাই আমিও তাঁর পায়ে হাত দিয়া সালাম করলাম।
বউ কইল তোমার বাড়িতে আইসা আমি খুব খুশি। দেখ বাড়ির ছাদ দিয়া চাঁন্দের আলো দেখা যাইতেছে।
আমি কইলাম, চিন্তা কইরো না। বৃষ্টি হইলে পানিও নামবো।

এরপর সারা রাত কেমনে কাটলো সেইটা আপনাদের না কই। বিয়া করা এত মজার এইটা যদি আগে জানতাম তাইলে বাপের আগেই কামটা সাইরা ফালাইতাম।

আইজকাও তো রাত গভির হতে চলল। ভেতরে যাইতেছি। দোয়া করবেন। আমার যেন নেক্সট পারফমেন্সটা ভাল হয়।

Jocks form Mirakkel, post 02

জোকস-২
৪. দাদু একদিন ডাক্তারের কাছে গেলেন।
সব কিছু দেখে ডাক্তার দাদুকে বললেন,
-আপনার কিছু টেস্ট করাতে হবে।
দাদু: বাবা, এই বয়সে টেস্ট ? ওয়ানডে করলে হয় না ?
-------------
৫. কার্তিক দা মৃদুলকে বলছে,
কার্তিক: দাদা, বউকে কতটা ভালবাসি তা দেখানোর জন্য আমি মরুভূমির গরম বালির উপর দিনের পর দিন হেঁটেছি।
মৃদুল: তাই ?
কার্তিক: হ্যাঁ। বউকে কতটা ভালবাসি এটা দেখানোর জন্য আমি মাসের পর মাস পাহাড়ের চুড়ায় বসেছি।
মৃদুল: তাই ?
কার্তিক: হ্যাঁ। বউকে কতটা ভালবাসি এটা দেখানোর জন্য আমি বছরের পর বছর সাগরের জলে ভেসেছি।
মৃদুল: তাই ?
কার্তিক: হ্যাঁ। কালকে ডিভোর্স।
মৃদুল: (অবাক হয়ে) কেন ?
কার্তিক: বাড়িতেই থাকি না।
--------------------
৬.ধাক্কানকে একদিন প্রশ্ন করা হলো,
-ধাক্কান তোরা কয় ভাই বোন ?
ধাক্কান: দাদা, আমি নিজেই হচ্ছিলাম না আবার কয় ভাই বোন !

Jocks from Mirakkel

সুন্দর তিনটি জোকস
১. বনি দোকানে গিয়ে দোকানীকেকে বলল,
বনি: কাকু, কাকু একটা কালো রং এর বাল্ব দাওতো।
দোকানী: কালো রং এর বাল্ব দিয়ে কি করবে ?
বনি: দিনের বেলা জ্বালিয়ে ঘুমাবো।

=========
২. বনির পরিক্ষার রেজাল্ট বের হলো। বনির বাবা বনিকে বলল, তোর রেজাল্ট কী ?
বনি: বাবা, আমার একটা বন্ধু তার বাবা ডাক্তার। সে ফেল করেছে।
বাবা: বুঝলাম। তো তোর রেজাল্ট কি হলো ?
বনি: আমার আর একটা বন্ধু আছে তার বাবা ইন্জিনিয়ার। সেও ফেল করেছে।
বাবা: তোর রেজাল্ট কি হলো ?
বনি: বাবা, বাবা আমার আর একটা বন্ধু আছে ওর বাবা হেডমাস্টার। সেও ফেল করেছে।
বাবা রেগে গিয়ে... তোর রেজাল্ট কি হলো ?
বনি: বাবা......আমি কি ভগবানের ছেলে ?
================================

৩. স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া চলছে। এক পর্যায়ে স্ত্রী স্বামীকে বলল-
স্ত্রী: তুমি এক নম্বরের অকর্মার ঢেকি।
স্বামী: (রেগে গিয়ে) এই শোনো। এক থেকে তিন পর্যন্ত গুনবো। এর মধ্যে তোমাকে স্যরি বলতে হবে।
স্ত্রী: যদি না বলি ?
স্বামী: তাহলে তুমিই বলে দাও কত পর্যন্ত গুনবো।